নন্দীগ্রামে মহাভোজ | A Grand feast in Nandigram
কদিন হলো নন্দীগ্রামে মন্দির-টন্দির বানা
-----------------------
মার্চ মাস। নন্দীগ্রাম। যে ঘটনার জন্য সারা দেশ এ জায়গার নাম জানে, সে ঘটনার পর দু বছর কেটে গেছে। যেই সময়ে গেছি, তালপাত্তি খালের ওপর ভাঙ্গাবেড়া ব্রিজ তখনো লাইন অব কন্ট্রোল। তার উত্তরে তৃণমূলদেশ, দক্ষিণে খেজুরি। যে কোনো প্রায়ান্ধকে এনে ছেড়ে দিলেও সে বলে দেবে খালের দুপারে কোন জায়গা কার দখলে। দক্ষিণে রাস্তার দুপার জুড়ে জ্বলজ্বল করছে লাল পতাকার সারি। উত্তরে তেরঙ্গা। সন্ধে ছটা-সাড়ে ছটার পর খালের দুপারে গুলি প্রায় রোজের ঘটনা। রাস্তার ধারে বা মাঠের ওপর নজরে আসে খালি কার্তুজের খোল। বাজারের মুদিখানা বা বইখাতার দোকানে ফার্স্ট এইড বক্স এরকম ভাবে ঢেলে বিক্রি হতে আর কোথাও দেখিনি।
নিশিকান্ত মণ্ডলের বাড়ির উঠোন পেরিয়ে একটা পুকুর। তার অন্যপারে টিকটিকির ল্যাজের মত সরু এবং গোলালো মাটির রাস্তা। একটা গাড়ি কোনোরকমে সে রাস্তার ওপর দিয়ে গড়িয়ে যেতে পারে। সেখানে গাড়ি রেখে মণ্ডলের বাড়িতে গিয়ে ঢুকি আমরা।
নিশিকান্ত পঞ্চায়েৎ প্রধান। দু বছর আগে পর্যন্ত ছিল সিপিএম-এর স্থানীয় নেতা। তার পর ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটি এবং তৃণমূল। তার বাড়ির বারান্দায় বসে কথা হচ্ছিল। আন্দোলনের কথা, চাষ-বাসের কথা, ভোটের কথা। বারান্দার আসবাব বলতে একটা খালি তক্তপোষ, একটা টেবিল আর একটা বেঞ্চি। দালানের সামনেটা ছাদ থেকে মাটি পর্যন্ত সরু সরু তক্তার জালি দিয়ে ঢাকা। তার মধ্যে দিয়ে ইকড়ি-মিকড়ি রোদ এসে পড়েছে ভেতরে। তারে ঝোলানো তৃণমূলের পতাকা। বারান্দার কোনায় এক বাণ্ডিল পোস্টার। সামনে ঘাসহীন উঠোনে কুণ্ডলি পাকিয়ে ঘুমোচ্ছে কুকুর। একটা আদুড়-গা বাচ্চা হাতে কঞ্চি দিয়ে কট-কট-কট-কট আওয়াজ করছে কাঠের জালির ওপর।
কাজের কথা বলতে থাকি। ফাঁকে ফাঁকে ছবি তুলি খচ খচ। পেটের ভেতরে ছুঁচোরা ততক্ষণে ডন মেরে ক্লান্ত হয়ে শবাসন করছে।
গণ্ডগোলের সময় একাধিক গুলি খেয়েছিলেন যে সত্তর-ছোঁয়া মহিলা, সেই রাধারাণী আড়ি-কে ডেকে আনা হয়েছে লোক পাঠিয়ে। তাঁর সঙ্গেও কথা বলি আমরা। প্রায় কথকতার ঢং-এ রাধারাণী শোনান সেদিনের গল্প। হাতে, পেটে গুলির দাগ দেখান আমাদের।
কথা বলি, আর উঠোনের এক পাশের রান্নাঘর থেকে ঝলকে ঝলকে মন-কাড়া সুবাস এসে উদাস করে দেয় আমাদের। কাজ করতে আর ইচ্ছে করে না। গল্পগুলো তো বহুবার শোনা, অনেক বার পড়া। সঙ্গী চোখে ইশারা করে, খাওয়া-দাওয়া এখানেই নাকি?
নিশিকান্তর শালা কলকাতায় হোমিওপ্যাথ ডাক্তার। এসে বলল, আপনারা কিন্তু দুপুরে এখানেই খেয়ে যাবেন। কি মুস্কিল, না না, এখানে খাব কি, অনেক কাজ পড়ে রয়েছে আমাদের। ফোটোগ্রাফার বলে, হ্যাঁ, আমরা যাওয়ার পথে কোথাও একটা খেয়ে নেব।
কিন্তু শালাবাবু নাছোড়বান্দা। অনেক রান্নাবান্না হচ্ছে, আমি নিজে হাতে শোলমাছের টক বানিয়েছি। (এত রান্নাবান্না সব আমাদের জন্যে নাকি রে বাবা!) আসলে কি জানেন তো, এখানে আজকে একটা মন্দির উদ্বোধন হল। জামাইবাবুরই জায়গায় মন্দিরটা। সে জন্য দু-তিনজন স্বামীজী আসছেন, তাঁরা এখানে দুটি অন্নগ্রহণ করবেন দুপুরে। (তাই বল।)
সামান্য পরেই এসে গেলেন তিন মহারাজ। গেরুয়াধারীদের সামনে পেছনে এবং দুপাশ থেকে আড়াল করে নিয়ে আসছে চার সি আর পি এফ জওয়ান।
সন্ন্যাসীরাও এসে বসলেন বারান্দার ছাউনির নিচে, একপাশে রাখা তক্তপোষের ওপর। এস এল আর কাঁধে দুজন জওয়ান ঘরের ভেতর, দু জন বাইরে। আমরা বসে আছি বাঁদিকের বেঞ্চে, আর তক্তপোষ এবং বেঞ্চের মাঝের জায়গাটুকুতে একটা মোড়ার ওপর রাধারাণী।
সন্ন্যাসীদের দিকে তাকিয়ে দেখি, তাঁরাও দেখেন আমাদের। একজন আমার দিকে খানিকক্ষণ তাকিয়ে থেকে বলেন, আমাদের কলেজ না? ঘাড় হেলাই। চিনেছি আমিও। এ তো ইঁদুর! আমাদের ফার্স্ট ইয়ারের হস্টেলে থাকতেন, ভাঁড়ারের দায়িত্বে ছিলেন। সারা কলেজ জীবনে ভদ্রলোকের সঙ্গে একদিনও কথা বলেছি বলে মনে পড়ে না। চুপচাপ, ভারী নিরীহ প্রকৃতির মানুষ ছিলেন। তখনও গেরুয়া হননি। সাদা পোষাক পরতেন, টিকি ছিল। ছেলেরা নানা রকম আওয়াজ দিত, অ্যাই ইঁদুর বলে আড়াল থেকে ডাকত, কিন্তু কোনোদিন খেপে যাননি তরুণ সন্ন্যাসী। একটু ভয়ে ভয়ে থাকতেন, সব সময়ে মাটির দিকে তাকিয়ে চলতেন। দেখলেই কেন জানি হাসি পেত আমার। পরে সে কথা মনে পড়ে যে কখনো একটু খারাপ লাগেনি তা নয়। কারো সাতে-পাঁচে থাকত না বেচারি, কাউকে কিছু বলত না তো।
এতদিন পরে এই নন্দীগ্রামে এসে ইঁদুরকে দেখতে পাব ভাবিনি। দেখেই পেট থেকে ভসভসিয়ে হাসি উঠে এল (কিছু করার ছিল না, বিশ্বাস করুন)। কোনো রকমে সেটাকে ভদ্রতার হাসি বানিয়ে জিগ্যেস করলুম, ভাল আছেন?
শালাবাবু ভীষণ এক্সাইটেড। আরে আপনি ওই কলেজের ছাত্র? কি আশ্চর্য! কবে পড়তেন ওখানে? ও, তখন অমুক মহারাজ প্রিন্সিপাল ছিলেন? দাঁড়ান এক মিনিট। বাধা দেওয়ার আগেই তাঁর আঙ্গুল মোবাইল ফোনের কি প্যাডে। মহারাজের বিদেশের আশ্রমের নাম্বার ডায়াল করছেন। কান্ডটা ভাবুন একবার। প্রায় বিশ বচ্ছর পর প্রাক্তন প্রিন্সিপাল মহারাজের সঙ্গে কথা বলতে হবে, তাও আমি বসে আছি এই নন্দীগ্রামে পঞ্চায়েৎ প্রধানের বাড়িতে আর মহারাজ অন্য দেশে । করেন কি, করেন কি, ও দেশের সঙ্গে আমাদের সময়ের খানিক তফাৎ আছে তো। মহারাজ এখন খাচ্ছেন কি ঘুমোচ্ছেন কে জানে। আর এতদিন পরে চিনতেও পারবেন না।
কিন্তু কে শোনে কার কথা। বিদেশের টেলিফোনে তখন রিং হচ্ছে। হ্যালো মহারাজ, চিনতে পারছেন? এপারে শালাবাবুর উত্তেজিত কণ্ঠ। হ্যাঁ আমি অমুক। হ্যাঁ, নন্দীগ্রামে এসেছিলাম মহারাজদের নিয়ে, মন্দিরের উদ্বোধন ছিল। এক মিনিট, এই নিন, ধরুন, একজনের সঙ্গে কথা বলুন।
ঘামে স্যাঁতস্যাঁতে মোবাইল ফোন আমার হাতে। কোনো রকমে কানে তুলে নিয়ে নাম বলি, ভদ্রতার খাতিরে জিগ্যেস করি, চিনতে পারছেন? আপনার ছাত্র ছিলাম কলেজে । ওপারে দু সেকেণ্ডের নীরবতা। পুরো নামটা বল। পুরো নাম বলা হল। তুমি কি কালো রোগা লম্বা চেহারার ছিলে? হস্টেলে বন্ধুরা কি তোমাকে কমরেড বলে ডাকত? ভাবুন একবার! কি বলব এমন স্মৃতিধর লোককে?
তারপর সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর। কি করছি এখন, কলেজের বন্ধুদের কার কার সঙ্গে যোগাযোগ আছে, বিয়ে করেছি কিনা, সন্তানাদি ...
সঙ্গীর কান পর্যন্ত হাসি। দুপুরের ভুরিভোজ ঠেকায় কে?
*******
রাধারাণীর কাহিনী শেষ হতে হতে নিশিকান্ত চলে গেছে বাড়ির ভেতরে। একটু পরে পোষাক পাল্টে স্যাণ্ডো গেঞ্জি আর লুঙ্গি পরে ফিরে এলেন শালাবাবু। বললেন দুটি অন্নগ্রহণ করে নিন তাহলে। কী দরকার ছিল বলুন তো, আমাদের জন্যে এসব ঝামেলা করার? ফেরার পথে কোথাও একটা খেয়ে নিতাম (কী খেতাম? সেই ভর দুপুরে বাজারের তেলেভাজার দোকান পর্যন্ত বন্ধ)। না না, তা বললে হয়? এসেছেন এত দূর থেকে। তা ছাড়া মহারাজদের জন্যে তো ব্যবস্থা ছিলই। নিন, হাতে মুখে একটু জল দিয়ে নিন।
কী আর করা যাবে। এত করে বলছেন যখন। অল্প চেষ্টায় মুখে একটু লজ্জার ভাব ফুটিয়ে উঠে পড়লাম বেঞ্চি ছেড়ে। বাইরে উঠোনে ততক্ষণে প্লাস্টিকের টেবিল আর চেয়ার পাতা হয়ে গেছে। পুকুরের ধারে, গাছের ছায়ায়। খানিকটা অনুরোধে ঢেঁকি গেলার ভাব মুখে ফুটিয়ে এগোলাম সে দিকে। গ্লাসের জলে হাত ধুয়ে চেয়ারে বসলাম।
তার পর শুরু হল ভোজ কয় যাহারে। বাংলায় এবং বাংলার বাইরে এত জায়গায় এত লোকের বাড়িতে খেয়েছি, কিন্তু সেদিনের সেই অনাহূত নিমন্ত্রণে যত রকমের ব্যাঞ্জন আমার থালার চারপাশে উপস্থিত করা হল সে রকম আগে বা পরে খুব কম জায়গাতেই দেখেছি। আমাদের সকলের ভোজ্যবস্তু — চর্ব্য, চোষ্য এবং লেহ্য (পেয় বলতে শুধু জল) — ঐ টেবিলে ধরছিল না। ফলে একটু পরে পরেই আসতে লাগল আরও আরও বাটি। টেবিলটা যেন খাদ্যবস্তু ভরা বাটি দিয়ে ঠাসা কোনো ইনস্টলেশন আর্ট।
মেনুতে কি কি ছিল যতদূর মনে আছে এবং ছবি দেখে যতটা বোঝা যাচ্ছে তার থেকে আন্দাজ করে বলার চেষ্টা করছি। (সবটা মনে নেই আগেই বলে রাখা ভাল। আরও যে দুই বিহ্বল ক্ষুধার্ত আত্মা আমার সঙ্গে সেদিন ছিল তাদেরও মনে নেই, জানতে পারলুম।) থালার মাঝখানে বাটি উল্টে অর্ধগোলকাকারে সাজানো ভাত দেওয়া হল প্রথমে। তার মধ্যে ঢালা হল গরম ঘি। সঙ্গে উচ্ছে বা ঐ রকম কিছু তেতো ভাজা। তার পর এল শুক্তো। মিষ্টি আলু, সজনে ডাঁটা ছাড়াও আরও নানা তরিতরকারি তাতে। বড়ি দেওয়া এবং ভাজা মশলায় সুরভিত। তার পর ঘন মুগের ডাল, বেগুন ভাজা, আলু ভাজা। তারপর ...
(কিন্তু খাওয়ার আগে ব্রহ্মার্পণং মন্ত্র বলা হয়েছিল কি? মনে পড়ছে না। যাঁরা মিশনের হস্টেলে থাকেননি, কিম্বা মঠ বা ঐ জাতীয় স্থানে অন্নগ্রহণ করেন নি, তাঁদের জ্ঞাতার্থে বলি, পরিবেশিত অন্ন মুখে তোলার আগে সেখানে এই মন্ত্রোচ্চারণ করা হয়। মন্ত্র -- ব্রহ্মার্পণং ব্রহ্ম:হবির্বহ্মাগ্নৌ ব্রহ্মণাহুতম্ ব্রহ্মৈব তেন গন্তব্যম্ ব্রহ্মকর্মসমাধিনা। প্রসঙ্গত, হিন্দুদের শ্রাদ্ধের সময় মৃতের উদ্দেশে খাদ্যাদি উৎসর্গ করার সময়ও এই মন্ত্র উচ্চারণ করা হয়ে থাকে। )
সে যাকগে। খিদেয় তখন আমরা দিগ্বিদিক জ্ঞানশূন্য, হিতাহিত বোধ লুপ্ত প্রায়। কাজেই অত খুঁটিনাটি ঠিক মনেও নেই।
ডাল এবং নিরামিষ ভাজার সঙ্গে সঙ্গেই এল মাছ ভাজা। বিশাল বিশাল রুই মাছের টুকরো (আর একটু নিন। সে কি, এক টুকরো মাছ ভাজা খেলে কি করে চলবে? আর দুটো টুকরো দিই?)
। ভাজা শেষ করতে করতেই এসে গেল মাছের ঝাল। প্রায় ঝোলহীন মাখা মাখা সে প্রিপারেশন। সঙ্গে পোলাও। তারপর কাৎলা মাছ। তারপর পার্শে। তারপর পাবদা, তারপর কই, তারপর গলদা চিংড়ি। চিংড়ির লেজ এবং মাথা বাটির দুপাশে বেশ খানিকটা করে বেরিয়ে আছে। (খান খান, জামাইবাবুর নিজের চাষের মাছ। গলদার ফার্ম আছে তো। আর কলকাতায় তো এরকম টাটকা মাছ পাবেনই না।) মাছের ঝোল, মাছের টক (ওটা খেতেই হবে, শালাবাবুর নিজের হাতে রান্না করা)। মাছ পর্ব কোনো ক্রমে শেষ করতে না করতেই চলে এল মুর্গীর মাংস (ব্রয়লার নয়, দিশি মুর্গী)। আমি ততক্ষণে হাল ছেড়ে দিয়েছি প্রায়। চোয়াল আর কাজ করছে না। সঙ্গীর দিকে আড়চোখে দেখি। সেও হাঁসফাঁস করছে। কিন্তু তা বললে হবে? চিকেনটা খেতেই হবে। তারপরে আছে চাটনি, তারপর দই, তারপর মিষ্টি, তারপর ...
আমি উঠে পড়েছি চেয়ার ছেড়ে। পায়েস পর্যন্ত অপেক্ষা করিনি আর। আকণ্ঠ খেয়েছি বললে কম বলা হবে, নড়লে চড়লে কান কি গলা বেয়ে ঝোল কিম্বা দই গড়িয়ে পড়বে মনে হচ্ছিল। সন্ন্যাসীরা তখনও নিষ্ঠার সঙ্গে খেয়ে চলেছেন। (অনেক সহিষ্ণুতা ইত্যাদি নিশ্চয়ই অভ্যাস করতে হয় সন্ন্যাস নিলে।) একজন আবার বললেন, আরে খেয়ে নাও, খেয়ে নাও। কলেজ হোস্টেলে তো খাবার ভাল না হলে কত গালাগাল দিয়েছ। কিন্তু আমি ততক্ষণে হাত ধুয়ে ক্যামেরা নিয়ে রেডি। যতটুকু পড়ে রয়েছে টেবিলে তার ছবি তুলে রাখতেই হবে। সঙ্গী তখনও পায়েসে।
সি আর পি এফের ছেলেগুলোকে অন্য কোথাও খেতে দেওয়া হয়েছিল। (সিকিওরিটি ব্রিচ?) তারাও দেখি পুকুরপাড়ে এসে হাত ধুচ্ছে। তাদের সঙ্গে একটু গল্পগুজব করি। কথা বলতে বলতে বাকিদেরও খাওয়া শেষ হয়। টলমল করতে করতে এসে চেয়ার ছেড়ে উঠে হাত ধুতে আসে। দূরে রান্নাঘরের দাওয়ায় দেখি রাধারাণীও বসেছেন খেতে। খালি গায়ে নিশিকান্ত তদারক করছে।
খাওয়া শেষ হওয়ার পর আর এক মুহূর্তও নয়। কারণ একটু বসলেই গড়িয়ে পড়ব তখন। আর রাতজাগা চোখে একবার ঘুম নেমে এলে কাজের দফারফা। কোনোক্রমে ধন্যবাদ-টন্যবাদ জানিয়ে, মহারাজদের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে হাঁটতে শুরু করি গাড়ির উদ্দেশ্যে।
(সমাপ্ত)
আমাদের এই মহাভোজের মাস কয়েক পর এক সন্ধ্যায় তার বাড়ির কাছেই মাওবাদীদের কার্বাইনের গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে যায় নিশিকান্ত মণ্ডল।
.jpg)
.jpg)
%20(1).jpg)
%20(2).jpg)
.jpg)


Comments
Post a Comment